আজ ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২১শে মে, ২০২২ ইং

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় বজ্রপাতে মারা গেলেন ৯ জন

সিলহট রিপোর্টার :: সিলেট বিভাগের ৩ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪ জন, সুনামগঞ্জে ৪ ও হবিগঞ্জে একজন মারা গেছেন।

সিলহট’র সংবদাদাতারা জানিয়েছেন, সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদে বজ্রপাতে মারা যান বাবা ও ছেলে। নিহতরা হলেন- ইউনিয়নের পুরান কালারুকার পূর্ব উত্তরপাড়ার শমসের আলী ও তার ছেলে ছয়ফুল আহমদ। বিকেলে ধান কাটার সময় কালবৈশাখীর ঝড়ের সাথে প্রচণ্ড বজ্রপাতে মারা যান তারা।

একই সময়ে জেলার জকিগঞ্জে বজ্রপাতে ইসলাম উদ্দিন বলই (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়। উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের দরগাবাহারপুর গ্রামের আতাই মিয়ার ছেলে ইসলাম মাঠে গরু আনতে গিয়ে মারা যান।

এর আগে সিলেটের ওসামনীনগরে বজ্রপাতে রাহি আহমেদ (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়। শনিবার সকাল ১১টার দিকে মাঠে ধান কাটতে গেলে বজ্রাঘাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

এদিকে, সুনামগঞ্জে নিহতরা হলেন- শাল্লা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের সুরেন্দ্র সরকারের ছেলে শংকর সরকার (২৬), জগন্নাথপুর উপজেলার বাউধরণ গ্রামে শিপন মিয়া (৩২) ও দিরাই উপজেলায় হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার মফিজ উল্লার ছেলে তাপস মিয়া (৩৫) ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের উত্তর গাজীনগর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে ফরিদ মিয়া (৩৫)।

শাল্লা উপজেলা নারায়ণপুর গ্রামে শংকর মিয়া বাড়ি থেকে স্থানীয় শাসখাই বাজারে যাওয়ার পথে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

অপরদিকে জগন্নাথপুর উপজেলার বাউধরণ গ্রামের কৈচাপরী এলাকার বাসিন্দা শিপন মিয়া সকালে নলুয়ার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মারা যান। অন্যদিকে দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের চিনাউরা হাওরে কাজ করতে আসা হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার তাপস মিয়া বজ্রপাতে প্রাণ হারান। আর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ মিয়া দুটি গরু নিয়ে গাজীর খাল নামক হাওরে যান। এ সময় ঝড়ের সাথে বজ্রপাত শুরু হলে বাড়ি ফেরার পথে দুটি গরুসহ বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, শনিবার সকালে মাধবপুর পৌরসভার মুরাদপুর গ্রামের অলি ইসলাম ছেলে লালু মিয়া (৩৯) ধান কাটতে মাঠে গেলে বজ্রপাতে তিনি আহত হন। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap