আজ [bangla_date], [english_date]

পবিত্র রমযান : তাহাজ্জুদের সুযোগকে কাজে লাগান, অভ্যাসে পরিণত করুন

তাহাজ্জুদ অত্যন্ত মূল্যবান আমল। কুরআনে কারীমে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাহাজ্জুদের বিশেষ হুকুম করা হয়েছে। তাহাজ্জুদের সময় তথা রাতের শেষ ভাগে আল্লাহ্র রহমত বান্দার প্রতি নিবিষ্ট থাকে।

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ডেকে ডেকে বলতে থাকেন-
مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ، مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ، مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ.
আছে কি কেউ, যে আমাকে ডাকবে অমি তার ডাকে সাড়া দিব। কেউ আমার কাছে কিছু চাইবে আমি তাকে তা দিয়ে দিব। কেউ আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।

রাতের দুই তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে ফজর পর্যন্ত প্রতি রাতে রাব্বুল আলামীন এভাবে বান্দাকে ডাকতে থাকেন। (দ্র. সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৩২১; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৭৫৮)
এসময় বান্দার উচিত রবের ডাকে সাড়া দিয়ে তাহাজ্জুদের সালাতে মশগুল হওয়া। কারণ, নবীজী বলেছেন-
أَفْضَلُ الصّلَاةِ، بَعْدَ الصّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ، الصّلَاةُ فِي جَوْفِ اللّيْلِ.
ফরয নামাযের পর মধ্যরাতের নামায সর্বোত্তম। সহিহ মুসলিম, হাদিস ১১৬৩

রাতের বরকতপূর্ণ এ মুহূর্ত যদি আসে রমযানের মত রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাসে! রমযানের রহমত ও মাগফেরাতের সাথে যদি যুক্ত হয় মধ্য রাতের এ খোশখবরি, মহান রবের পক্ষ থেকে দয়া ও ক্ষমার ঘোষণা এবং প্রাপ্তির আহবান! মুমিনের জন্য এরচে মূল্যবান মুহূর্ত আর কী হতে পারে! তাই রমযান মাসে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাহাজ্জুদের প্রতি মনোযোগী হওয়াটাই মুমিনের শান।

রমযানে তো এমনিতেই সাহরীর জন্য উঠতে হয়। তাহলে আমি কি পারি না আরেকটু আগে উঠে জায়নামাযে দাঁড়াতে! আল্লাহর সামনে সিজদায় লুটিয়ে পড়তে! মহান রব দেওয়ার জন্য ডেকে যাচ্ছেন। আমার কি উচিত নয় তাঁর থেকে কিছু নেওয়া! দয়াময় প্রভুর নিকট কিছু চাওয়া! তাঁর মাগফেরাত লাভে ধন্য হওয়া!!

রমযানের একমাসে যদি তাহাজ্জুদের অভ্যাস তৈরি করা যায় তাহলে বাকি এগার মাস সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলাই তাওফীকদাতা।

 

সৌজন্যে : মাসিক আলকাউসার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap