আজ [bangla_date], [english_date]

সিলেটে ক্ষোভে ফুঁসছেন ব্যবসায়ীরা

সিলহট রিপোর্টার :: সড়কে যানবাহনে স্বাভাবিকভাবে চলছে যানবাহন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে থাকছে যানজট। মানুষও ঘরে বসে নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না কেউ। যে-যার মতো ছুটে চলেছেন। লকডাউনে ঢিলেভাব সিলেটে। তবে বন্ধ রাখা হচ্ছে দোকানপাট- শপিং মল। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। প্রকাশ করছেন হতাশা।

সবকিছু স্বাভাবিক থাকার পারও দোকানপাট খুলতে না দেয়ায় সিলেটের ব্যবসায়ীরা মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) নগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। এসময় দোকানপাট খুলে দেয়ার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার কোর্ট পয়েন্টে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে ব্যবসায়ীরা দোকান খোলার দাবি জানান। আধাঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে কয়েকশ’ ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে তারা জিন্দাবাজার পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে সমাবেশ করেন।

এ সময় ব্যবসায়ীরা বলেন, সিলেট নগরীতে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের তালিকাভুক্ত আছে সাড়ে ৪ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এর বাইরে আরো প্রায় ৬ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ হাজার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। ব্যবসায়ীরা পুঁজি খাটাচ্ছেন। গত লকডাউনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেকেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। এই অবস্থায় লকডাউনে কেবলমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা।

তারা আরও বলেন, লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে তারা সিলেটের জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক থেকে কোনো সাড়া দেওয়া হয়নি। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানান। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ফুয়াদ বিন রশীদ, আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, ঈদকে সামনে রেখে এই লকডাউনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা কোনোভাবে কাম্য নয়। এ কারণে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে দোকানপাট খুলে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, সব কিছু স্বাভাবিক। দোষ কেবল মার্কেটের। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে তো কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এজন্য তারা সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন এ বিষয়ে জানান, তারা সামগ্রিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় হাসান মার্কেটে বৈঠকে বসবেন। এক সপ্তাহের লকডাউন মেনে নেয়া হলেও বাড়তি কোনো লকডাউন আমরা মানবো না। সিলেটের ব্যবসায়ীরা বৈঠকে ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap